রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বুধবার বিকেলে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নার্স রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পাঁচ হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে টিকা

রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া দিনের প্রথম টিকা নিয়েছেন।

দুপুর ১২টার দিকে ঢামেক হাসপাতাল থেকে করোনা টিকা নেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ টিকা নেওয়ায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন। এ সময় ঢামেক হাসপাতালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মন্ত্রী-আমলাসহ পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে টিকা

টিকাদান কেন্দ্রে করোনা টিকা নিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী (আইসিটি) জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে কোভিড-১৯  টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা নেন তিনি।এর আগে তিনি টিকা নিবন্ধন সম্পন্ন করেন। নিবন্ধন করার পর নির্ধারিত বুথে গিয়ে টিকা নেন প্রতিমন্ত্রী। পরে পর্যবেক্ষণের জন্য নির্ধারিত জায়গায় রেস্ট নেন।

রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক কনক কান্তি বড়ুয়া দিনের প্রথম টিকা নিয়েছেন।

আজ আবার রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে করোনা টিকার কার্যক্রম শুরু হলো। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এদিন ৪০০ স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড–১৯–এর টিকা নেবেন। এই তিন হাসপাতাল বাদে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ১০০ ও বাংলাদেশ–কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ৬০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে এ টিকা দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক ব্যক্তিকে টিকা দেওয়ার কথা আছে।

আজ টিকা দেওয়ার পর এ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এ কয় দিন টিকা নেওয়া ব্যক্তিদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে।

করোনার টিকা নিতে আগ্রহী ব্যক্তিদের নিবন্ধন করতে হবে ‘সুরক্ষা’ নামক ওয়েব পোর্টালে (www.surokkha.gov.bd)। অ্যান্ড্রয়েড বা অ্যাপল প্লে স্টোর থেকে সুরক্ষা মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করেও করা যাবে নিবন্ধন। 

দেশের মানুষকে টিকা পেতে অনলাইনে নিবন্ধনের জন্য অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তাঁরাও টিকাদানকেন্দ্রে যোগাযোগ করে তালিকাভুক্ত হতে পারবেন।

ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ লাখ ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে ঢাকায়। ওষুধ প্রশাসনের অধিদপ্তরের পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয়েছে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে আনা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন। প্রস্তুত দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল প্রশিক্ষিত টিকাদানকারীরাও।

ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউটের সাথে চুক্তি অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে মোট তিন কোটি ডোজ টিকার সরবরাহ পাওয়া যাবে। এর বাইরে প্রয়োজন অনুযায়ী আরো টিকা কেনার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here